রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশে উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির সহজ পদ্ধতি। - সকল গেজেট এক ঠিকানায় || All gazettes are in one site.

রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশে উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির সহজ পদ্ধতি।


রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশে উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির সহজ পদ্ধতি।


রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশে উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির সহজ পদ্ধতি। বর্তমানে প্রাইমারি স্কুলের উপবৃত্তি টাকা দেওয়া হচ্ছে রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশ (Sure cash)-এর মাধ্যমে। রূপালী ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা তোলার নিয়ম অনেকেই জানেন না। যারা জানেন না, তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। এ পোস্টে ধাপে, ধাপে দেখানো হলো যেভাবে, যে পদ্ধতিতে রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশে শিশুদের ডাটা এন্ট্রি করা হয় এবং যে পদ্ধতিতে উপবৃত্তির অর্থ মোবাইল থেকে ক্যাশ আউট করতে হয়।

রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশে উপবৃত্তির ডাটা এন্ট্রির সহজ পদ্ধতি। বর্তমানে প্রাইমারি স্কুলের উপবৃত্তি টাকা দেওয়া হচ্ছে রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশ (Sure cash)-এর মাধ্যমে। রূপালী ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা তোলার নিয়ম অনেকেই জানেন না। যারা জানেন না, তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট তৈরি করা হয়েছে। এ পোস্টে ধাপে, ধাপে দেখানো হলো যেভাবে, যে পদ্ধতিতে রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশে শিশুদের ডাটা এন্ট্রি করা হয় এবং যে পদ্ধতিতে উপবৃত্তির অর্থ মোবাইল থেকে ক্যাশ আউট করতে হয়।

উপবৃত্তির কাজ কিভাবে করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম থাকে-








১। প্রথমেই ‍উপবৃত্তির সফটকপি নিজ নিজ শিক্ষা অফিস থেকে পেনড্রাইভ দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে। 

২। সফটকপি থেকে হার্ডকপি প্রিন্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। তবে ভুল কম হতে পারে।

৩। যদি নিজে কাজ করা যায় তবে ভুলের পরিমাণ এড়ানো সম্ভব।

৪। কম্পিউটারের দোকানে বসেও অনেককেই কাজ করতে হয়। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে কাজ করে নিতে হবে। (rupali bank sure cash pesp)

৫। অনেকেই বলেন যে, অফিস থেকে নেওয়া ফাইলে শ্রেণি পরিবর্তন করা যায় না। এটা ভুল, মোবাইল নম্বর থাকা ঘরটির মোবাইল নম্বর ছাড়া বাকিসব তথ্য পরিবর্তন করা যায়। এজন্য আপনাকে উপবৃত্তির সফটকপিটি ল্যাপটপ/ডেস্কটপ এ ওপেন করার পর Enable করে নিতে হবে। যদি Enable করতে না পারেন সেক্ষেত্রে ফাইলটি ওপেন করে Save as করে নিতে হবে। তবে Save as করে নিলে প্রকৃত ফাইলের নামের পূর্বে Copy of শব্দটি আসবে। Copy of শব্দটি বাদ দিয়ে ফাইলটি Save করে নিলে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। 

৬। তথ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোন শিক্ষার্থীকে বাদ দিতে হলে Class এর ঘরে X দিতে হবে। 

৭। নুতন সফটকপিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরিবর্তন করানো থাকে। সেক্ষেত্রে কোন শিক্ষার্থী রিপিটার থাকলে Class এর ঘরে Class পরিবর্তন করে দিতে হবে। ধরা যাক, Class 3 এর একজন শিক্ষার্থী বার্ষিক পরীক্ষার ফল খারাপ করায় সে পুনরায় Class 3 তেই থাকবে। কিন্তু সফটকপিতে দেখা যাচ্ছে Class স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হয়ে তাকে Class 4 এ দেখাচ্ছে। সেক্ষেত্রে তার Class 4 এর জায়গায় Class 3 করে দিতে হবে এবং তার রোল নম্বরও পরিবর্তন করে দিতে হবে। (sure cash cash out charge)

৮। অভিভাবকের জাতীয় পরিচয় পত্র দেখে জাতীয় পরিচয় পত্রের শেষের তিনটি নম্বর এন্ট্রি দিতে হবে।

৯। মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের ক্ষেত্রে হার্ডকপির সর্বশেষ ঘরে/ NEW MOBILE NUMBER এর ঘরে নতুন মোবাইল নম্বর যোগ করতে হবে।

১০। শিক্ষা অফিস থেকে নেওয়া উপবৃত্তির সফটকপির প্রকৃত ফাইলের নাম পরিবর্তন করা যাবে না। প্রকৃত ফাইলের নাম পরিবর্তন হলে তা পোর্টালে আপলোড হবে না। এমনকি সফটকপিতে কাজ করতে গিয়ে কোন কলাম বা রো উলোটপালট হলেও তা পোর্টালে আপলোড হবে না। সেক্ষেত্রে কোনক্রমেই প্রকৃত ফাইলের নাম এবং কলাম বা রো এর যেনো পরিবর্তন না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। যদি ফাইলের নাম পরিবর্তন হয়েই যায় তবে কি হবে? সেক্ষেত্রে অফিসে থেকে সংগৃহীত সফটকপি থেকে প্রকৃত ফাইল নাম কপি করে নিয়ে আপনার কাজ করা ফাইলে রিনেম করে পেস্ট করে দিতে হবে।
 এবারের (২০২০) উপবৃত্তির কাজ আরো সতর্কতার সাথে করতে হবে। কারণ এবারে একজন শিক্ষার্থী ০৬ (ছয়) মাসের উপবৃত্তির সাথে কিডস অ্যালাইন্স হিসেবে এককালীন ১০০০ টাকা পাবে। তার মানে ০৬ (ছয়) মাসের উপবৃত্তি পাবে ১৫০×৬=৯০০ টাকা + ১০০০ (কিডস অ্যালাউন্স)= ১৯০০ টাকা। এক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর যদি ভুল হয় তবে এই ১৯০০ টাকা থেকে একজন শিক্ষার্থী বঞ্চিত হবে। আর এর সম্পূর্ণ দায়ভার বর্তাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের উপর। সুতরাং এবারে মোবাইল নম্বর নেওয়ার সময় যেমন সতর্ক থাকতে হবে তেমনি তা উপবৃত্তির সফটকপিতে এন্ট্রি দেওয়ার সময় অতি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

১১. উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মোবাইলে ১০ সেকেন্ডের জন্য হলেও ফোন দিয়ে নিশ্চিত হবে যে মোবাইল নম্বর ঠিক আছে কি না। কারো মোবাইল নম্বর পরিবর্তন হলে তার নতুন নম্বর সংগ্রহ করতে হবে। কারণ গ্রামের অনেক অভিভাবকই মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে থাকেন। 

১২. মনে রাখতে হবে বার্ষিক পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে শুধুমাত্র তারাই উপবৃত্তি এবং কিডস অ্যালাউন্স পাবে। পুনরাবৃত্তি শিক্ষার্থী উপবৃত্তি ও কিডস অ্যালাউন্স পাবে না (সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক)।

১৩. অনেক সময় দেখা যায় অভিভাবক যে মোবাইল নম্বর দিয়েছেন যা একই সাথে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেওয়া আছে। যা বুঝা যায়, উপবৃত্তি সফটকপি পোর্টালে আপলোডের সময়। এজন্য অভিভাবকের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর নেওয়ার সময় বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসা করে নিতে হবে যে তার দেওয়া মোবাইল নম্বরটি আর অন্য কোন বিদ্যালয় বা ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় দেওয়া আছে কিনা। যদি বুঝতে পারেন যে, অভিভাবক তথ্য গোপন করছেন সেক্ষেত্রে তাকে বুঝাতে হবে যে মোবাইল নম্বর দুই প্রতিষ্ঠানে দেওয়া থাকলে উনি আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে উপবৃত্তি নাও পেতে পারেন (উপবৃত্তি আসবেই না)। আবার দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবকের মোবাইল নাই। সেক্ষেত্রে একজন অভিভাবক অন্য অভিভাবকের মোবাইল নম্বর দিতে বলেন। সেক্ষেত্রে যে অভিভাবকের মোবাইল দিবেন তার সাথে কথা বলে নেওয়াই ভালো। তাতে করে সমস্যার সম্ভাবনা থাকে না। 

১৪. পোর্টালে তথ্য আপলোডের পর আপলোডকৃত ফাইলটি ডাউনলোড করে হার্ডকপি প্রিন্ট নেওয়া দরকার । তা না হলে ভুল ধরা পড়বে না। কারণ কম্পিউটারে করা কাজের ক্ষেত্রে অতটা ভুল চোখে পড়ে না। কিন্তু আপলোডকৃত ফাইলটির হার্ডকপি প্রিন্ট নিলে ভুল বের করা সম্ভব ও সহজ এবং তা দ্রুত সংশোধন করে পুনরায় তা পোর্টালে ঠিক করা যায়। (sure cash password forgot.)

১৫. উপবৃত্তির সফটকপিতে থাকা ছাত্র-ছাত্রীদের Reference number কোনক্রমেই পরিবর্তন করা যাবে না। 

১৬. নতুন ছাত্র-ছাত্রীর তথ্য পূরণের ক্ষেত্রে সফটকপির একেবারে শেষে থেকে তথ্য দেওয়া শুরু করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনরূপ Reference number দেওয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে পূরণকৃত সফট কপিটি পোর্টালে আপলোডের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে Reference number আসবে। 

১৭. হার্ডকপিতে তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে লাল কালির কলম ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।

১৮. অনেক অভিভাবক এসে বলেন যে, তার মোবাইলে টাকা আসে নাই। এক্ষেত্রে প্রথম কাজ হলো অভিভাবকের মোবাইল নিয়ে *495# ডায়াল করে ব্যালেন্স চেক করা। অনেক সময় এসএমএস না আসলেও ব্যালেন্সে টাকা জমা থাকে। আবার *495# ডায়াল করেও যদি দেখা যায় টাকা নাই তাহলে আপনাকে *495# ডায়াল করে. mini statement চেক করতে হবে। mini statement এই দেখা যাবে টাকা কবে এসেছে আর কবে উত্তোলন করেছেন, কোথা থেকে উত্তোলন করেছেন। আরো বিস্তারিত চেক করার জন্য আপনার শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। ল্যাপটপ/ডেস্কটপ দিয়ে পোর্টালে চেক করলেই দেখা যাবে আসলেই তার মোবাইলে টাকা এসেছে কিনা, কবে, কখন, কোথায় থেকে টাকা উত্তোলন করেছেন সব বিস্তারিত পাওয়া যাবে। যদি অন্য কোন নম্বরে টাকা যায় তাও দেখা যাবে। এক্ষেত্রে প্রথম কাজ অভিভাবকের মোবাইল চেক করা। সর্বশেষ শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা। মোবাইল চেক করতে প্রদত্ত নম্বরওয়ালা মোবাইল থেকে *495# কোডে ডায়াল করুন। পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করা থাকলে, তা ষাধারনত: 1, 2, 3, 4 দেওয়া থাকে। এর পর My account –এ গিয়ে দেখা যাবে মোবাইলে টাকা এসেছে কি না।

১৯. উপবৃত্তির কাজ নিজে করুন আর বাইরে করুন, সব তথ্য সাথে নিয়েই কাজ করুন। তাতে কাজের যেমন সুবিধা হবে তেমনি ভুলের পরিমাণও এড়ানো সম্ভব।

--------------------------------------------------
আরও দেখুন-

------------------------------------------------------

আরও জেনে নিন:








এক সন্তান,দুই সন্তান, তিনসন্তান.... এসব নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। প্রত্যেককে একক চিন্তা করে প্রাক প্রাথমিকের জন্য ৭৫/১৫০/২২৫ টাকা এবং ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির জন্য ১৫০/৩০০/৪৫০ টাকা এভাবে এন্ট্রি করবেন। 



একই পরিবারের সকল সুবিধাভোগীর মোবাইল নম্বর, অভিভাবকের নাম (বানান এবং uppercase & lowercase) এবং এনআইডির তিন ডিজিট একই থাকতে হবে।


ক্লাস ও রোল অবশ্যই চেক করে নিতে হবে। 



রেফারেন্স আইডি কোনো অবস্হায় পরিবর্তন করা যাবে না।



১২ নং কলামে Y লেখা থাকলে আপনি চাইলেই নতুন মোবাইল নম্বর এন্ট্রি দিতে পারবেন না। 



যদি বিশেষ প্রয়োজনে নম্বর পরিবর্তন জরুরী হয়ে পড়ে তবে সেই "রো" এর ক্লাসের ঘরে x লিখবেন। এবং সেই "রো" এর যাবতীয় ডাটা (রেফারেন্স আইডি ব্যতীত) সিটের নিচে নতুন করে এন্ট্রি করবেন। তা করলে পুরাতন ডাটা মুছে যাবে এবং নতুন ডাটা যুক্ত হবে। 



নতুন এন্ট্রির ক্ষেত্রে রেফারেন্স আইডি ফাঁকা থাকবে এবং মোবাইল নম্বর new mobile number কলামে লিখবেন।



নতুন এন্ট্রি খুব বেশি হলে এক পর্যায়ে ডাটা এন্ট্রি দিতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে পুরো সিটটা কপি করে নতুন সিটে বসিয়ে নিলে কাজ করতে পারবেন। পরে পুরাতন সিটটা delete করে ফাইল সেভ করবেন।



file name কোনো ভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না।
আরও কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমাদের ফেইস বুক পেইজে নক করবেন।
ধন্যবাদ সকলকে।
 (সংগৃহীত)


পোস্টের নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুকপেজে” লাইক দিয়ে রাখুন।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে নিচের ফেসবুক, টুইটার বা গুগল প্লাসে
শেয়ার করে আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। এতক্ষণ সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।




কোন মন্তব্য নেই

pollux থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.