মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনা - সকল গেজেট এক ঠিকানায় || All gazettes are in one site.

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনা


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনামাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনা। সম্মানীত ভিজিটর, সরকারি-বেসরকারি প্রজ্ঞাপন ও চিঠি-পত্র সমৃদ্ধ এ বাংলা ব্লগ সাইটে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। অনুগ্রহপূর্বক, পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।
প্রিয় পাঠক, আপনি যদি আমার এই অলগেজেটস ডট কম সাইটে নতুন এসে থাকেন; তাহলে, সাইটে প্রতিনিয়ত প্রকাশিত নতুন পোষ্টের আপডেট পেতে-প্লিজ, সাইটের ফেসবুক পেজে” লাইক দিয়ে সাইটটির
সঙ্গেই থাকুন। আর যদি ইতোমধ্যে আপনি “ফেজবুক পেজে” লাইক দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে আবারও স্বাগত জানাচ্ছি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রজ্ঞাপন ও চিঠি-পত্র একত্রে, একসঙ্গে পাবার এ পাঠকপ্রিয় বাংলাদেশী বাংলা ব্লগে। আশা করি, পরবর্তীতে আবারও এসে ধন্য করবেন “সকল গেজেট এক ঠিকানায়” শিরোনামের এ বাংলা ব্লগে।





পাঠক, আপনাদের সকলের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে এ ব্লগে আয়োজন করেছি-প্রাথমিক শিক্ষার অফিস আদেশ ও পত্র, প্রাথমিক শিক্ষার প্রজ্ঞাপন, মাধ্যমিক শিক্ষার প্রজ্ঞাপন ও পত্র, উচ্চ শিক্ষার প্রজ্ঞাপন ও পত্র, শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও ম্যানুয়াল, শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ ও ম্যানুয়াল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রজ্ঞাপন ও পত্র, পাঠ্য বইয়ের ই-সংষ্করণ, ধর্মীয় ই-বুকসমূহ, আইন ও বিধিমালার ই-বুকসমূহ, জাতীয় পরিচয় পত্র বিষয়ক প্রজ্ঞাপন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের প্রজ্ঞাপন ও পত্র, জাতীয় বেতন স্কেলসমূহ, বিভিন্ন আর্থিক সুবিধার প্রজ্ঞাপন ও পত্রসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারি-বেসরকারি গুরূত্বপূর্ণ গেজেট, পরিপত্র ও পত্রাদি। এবার আসা যাক, আজকের পোষ্টের কথায়।
--------------------------------------------------
আরও দেখুন-
--------------------------------------------------
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনা। বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত করার যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়ন করবে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা। তাই এ সকল শিক্ষার্থীদেরকে মানসম্মত শিক্ষাদানের মাধ্যমে সৃজনশীল, সৃষ্টিশীল, নীতিবান, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ এবং তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন মানসম্মত দক্ষ নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। তাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে পালন এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

১. শিক্ষকগণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাসময়ে উপস্থিতি এবং ফলপ্রসূ পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে; ২. প্রাত্যহিক সমাবেশে শিক্ষার্থীদেরকে দিয়ে দুইটি নৈতিক বাক্য পাঠ করাতে হবে;
৩. শিক্ষকগণের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ শিক্ষকদের নিয়ে নিয়মিতভাবে ইন-হাউস প্রশিক্ষণের আয়োজন নিশ্চিত করবেন;
৪. নির্ধারিত শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে কোনো ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না;
৫. শ্রেণিকক্ষে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে কোনো নোটবুক এবং গাইড বই ব্যবহার করা যাবে না;





৬. মাল্টিমিডিয়া ও কম্পিউটার ল্যাব ব্যবহার নিশ্চিত এবং সকল শিক্ষককে আইসিটি বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে;
৭. সহ-শিক্ষা কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং বিজ্ঞানাগার ও লাইব্রেরি ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে;
৮. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক পর্যায়ের) নির্বাচিত ‘স্টুডেন্টস কেবিনেট’-এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে;
৯. মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত রাখার নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে;
১০. প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র (১৫ খন্ড)- রাখা এবং পড়ার
জন্য উৎসাহিত করতে হবে;
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সময় সময় জারিকৃত অফিস আদেশ, পরিপত্র, ও প্রজ্ঞাপন সংরক্ষণ, অনুসরণ এবং বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে;
উপরোক্ত করণীয় বিষয়সমূহ প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ বাস্তবায়ন করবেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে এ সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করবেন।।
 মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য ১১টি নির্দেশনা
আর্টিকেলটি ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন, প্লিজ।
গেজেটের নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের এ ফেসবুক পেজে” লাইক দিয়ে রাখুন।




কোন মন্তব্য নেই

pollux থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.