শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৮

জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:



জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল/National Integrity Strategy
সম্মানিত পাঠক, পোস্টের মূল আলোচনায় যাবার আগে আপনাদের একটুখানি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই “সকল গেজেট এক ঠিকানায়” শিরোনামের এ বাংলা ব্লগে আপনাদের জন্য আয়োজিত বিষয়বস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে-“প্রাথমিক শিক্ষার প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র”“প্রাথমিক শিক্ষার অফিস আদেশ ও পত্র”, “মাধ্যমিক শিক্ষার প্রজ্ঞাপন ও পত্র”“উচ্চ শিক্ষার প্রজ্ঞাপন ও পত্র”,“বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও ম্যানুয়াল” এবং “পেশাগত প্রশিক্ষণ ও ম্যানুয়াল”“তথ্য ওপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রজ্ঞাপন ও পত্র” এবং ডিজিটাল কন্টেন্টসমূহ“পাঠ্য বইয়ের ই-সংষ্করণ” , “ধর্মীয় ই-বুকসমূহ” এবং “আইন ও বিধিমালার ই-বুকসমূহ”, “জাতীয় পরিচয় বিষয়ক প্রজ্ঞাপন”,“জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনেরপ্রজ্ঞাপন ও পত্র”,   “জাতীয় বেতন স্কেলসমূহ”,  “বিভিন্ন আর্থিক সুবিধার প্রজ্ঞাপন ও পত্র”মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও তালিকা” ও  মুক্তিযোদ্ধা ভাতার প্রজ্ঞাপন ও পত্র” এবং “সকল সেবার ফরম এক ঠিকানায়”সহ বিভিন্ন ধরনের গুরূত্বপূর্ণ গেজেট, পরিপত্র ও পত্রাদিসহ  আরও অনেক গুরূত্বপূর্ণ বিষয়। এবার আসা যাক, পোস্টের মূল কথায়।
রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ জনগণের মঙ্গল এবং জাতীয় জীবনের সর্বত্র উচ্চাদর্শ প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে ‘জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিতকরণ’ এবং ‘জাতিসংঘের সনদ মেনে চলার” প্রতিশ্রুতি প্ৰদান করা হয়েছে। ন্যায়ভিত্তিক, দুনীতিমুক্ত ও শুদ্ধাচারী রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল মানবসত্তার সেই মর্যাদা এবং মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা সম্ভব। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সর্বজনীন এসব আদর্শের বাস্তবায়ন এবং সেইসঙ্গে সাংবিধানিক মীেলনীতি পালনে ন্যায়পরায়ণ, দুনীতিমুক্ত ও শুদ্ধাচারী রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট আছে। নির্বাচনে ম্যান্ডেটপ্ৰাপ্ত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, “দুনীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে বহুমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্ষমতাবান লোকদের বছরওয়ারী সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে হবে। ঘুষ, বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অর্থ আদায়, চাঁদাবাজি এবং দুনীতি দূর করার জন্য কড়াকড়ি ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হবে। যারা অনুপার্জিত ও কালো টাকার মালিক, যারা ব্যাংকের ঋণখেলাপি, টেন্ডারবাজ এবং রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বক্ষেত্রে পেশিশক্তি ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হবে। রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের একাধিপত্য ভেঙ্গে দেওয়া হবে।” নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দলের নির্বাচনী ইশতেহারেও অনুরূপ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছে।
সম্মানিত পাঠক, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অরিজিনাল ফর্মেটে হুবহু দেখতে ও ডাউনলোড করে নিতে এখানে ক্লিক করুন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর (গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মকর্তা ও কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৫ দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
সবার শুভ কামনায়- আল্লাহ হাফিজ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন